Tag: Recitation

Wings of the Horizon

The sun climbs high on a golden thread,
To wake the dreams inside your head.
It’s a blank white page, a waiting screen,
The brightest colors yet unseen.

 

It’s the quiet hum of a cooling drive,
The spark that keeps the code alive.
A melody found in a sudden rhyme,
A mountain peak you’ve yet to climb.

 

Sometimes the logic hitches and breaks,
And growth is hidden in small mistakes.
But like a storm that clears the air,
The strength you need is always there.

 

So build your world with a steady hand,
Like castles carved from desert sand.
For life is the fire, the wind, the sea,
And the hero you are meant to be.

 
——-By Aishnei Bag (Class VIII)

River’s words

Once I’d wept
By the river,
It had spoken
In silent whispers.

 
 

It had said,
“Life’s bittersweet;
It’s a book
Of gloom and glee.”

 
 

It had said,
“Life’s a rose;
With all thorns,
It’s still beautiful.”

It had said,
“Life endures,
And it’s bright
After darkness tears.”

 
 

And I realized:
Life’s like a river;
It always flows,
Ever and after.

——-By Mehuli Basak (Class VIII)

 
 

মেহুলী, খুব সুন্দর হয়েছে। আরও লেখো – এবং তোমার লেখা আরও পরিণত হোক। শুভেচ্ছা রইলো। এগিয়ে যাও।
– অমিতাভ

পিঁপড়ের রাজত্ব (সন্তোষ রায়)

পিঁপড়ে বলে বাঁচতে হলে
করতে হবে জোট।
কে বা কারা বনের রাজা
ডেকে করো ভোট।
যে বা ভোটে জয়ী হবে
সেইতো বনের রাজা।
অন্যায় পেলে বাঘ হলেও
ধরে দেবো সাজা।
গায়ের জোরে পাহাড়
ভাঙবে এই কখনো হয়?
পেয়েছি মোরা গণতন্ত্র
কীসের করবো ভয়।
বাঘ বলে একি জ্বালা
এবার কোথায় যায়।
পিঁপড়ে দের অত্যাচারে
বনে থাকার উপায় নাই।
আয়-তো যত পশু পাখি
হিংস্র জীব জন্তু।
বনে যত পিঁপড়ে আছে
একে একে গুন তো।
সিংহ বলে মূর্খের মতো
একি বলে বাঘে?
হাতি বলে ঘন জালে
বন টি ঘিরো আগে
ব্যাঙ বলে ভয় নাই
ঢুকে আছি খালে।
গাধা বলে একি কথা
পিঁপড়ে যদি ওঠে ডালে?
টিকটিকি কয় ভয় নাই
ধরে ধরে খাবো।
বলে গিরগিটি কয়টা খাবে
একটুখানি ভাবো।
হনুমান বলে মারবে যদি
আগুন লাগাও বনে
শৃগাল বলে আগুন দিলে
মরবে যে এক-সনে
চিতে কয় মারতে গেলে মরতে হয়
এইতো হলো জ্বালা।
হরিণ বলে এ বন ফেলে
দৌড়িয়ে পালা।

তবু, কলম চলে যায়

থাক না পড়ে – মাঠের পাড়ে
মিত্তিরদের বাগান ঘিরে –
একচিলতে রোদ।
খুঁজবে কেন ?
হারিয়ে যদি গিয়েই থাকে –
ঋণের বোঝা শোধ!

 

শুধু,
রইলো পড়ে বৃষ্টি ভেজা
বিকেল গুলো তার।
কবির খাতার অনেক ভাঁজে –
            নবীন সবুজ ভার;
শূন্য – রিক্ত মাঘ পৌষের
হিসাব মিলবে কিসে –
অঙ্ক গুলো সরল রেখায় ঘুমিয়ে পড়ে  শেষে।

 

তবু, কলম চলে যায় শব্দ থেকে শব্দবন্ধে;
মিল অমিলের ধোঁয়ায় উড়ে – গ্রন্থ থেকে গ্রন্থে ।।

অণু গল্প ১৪ – (সুদীপ্ত মাইতি)

ভালোবাসার যেমন অনেক নাম, আনন্দেরও সেরূপ। কোথায় কোন গিরিগুহার সংকীর্ণ পথ বেয়ে ধেয়ে আসে সে, আর ভেসে যায় ধনীর হর্ম্য প্রাসাদ থেকে দরিদ্রের পর্ণ কুঠির সমান আনন্দের ঝরনা ধারায়, সে খবর কেউ জানে না।  ঊষর জীবন হয়ে ওঠে শস্যশ্যামল, অন্ধকার দিন হয়ে ওঠে আলোময়, সুখহীন প্রাণে হঠাৎ খুশির ঝলকানি। তখন তুমি হয় ভেসে যাও সে স্রোতে তরী হয়ে , নয়তো পাড়ে দাঁড়িয়ে নির্নিমেষ তাকিয়ে থাকো কুল ছাপানো ঢেউয়ের দিকে।

 

জীবন ধারনের প্রয়োজনে যে সামান্য বৃত্তিটুকু অবলম্বন করি, তাতে বিলাসিতা শব্দটি দূর গ্রহের কাল্পনিক কোনো শব্দ।তাই সত্যিকারের plain living এবং নিস্ফলা high thinking কে সঙ্গী করে দিনতিপাত চলছে।

 

বাড়িতে দ্রুতগামী একটি দু চাকার যান আবশ্যিক – একথা আমাকে অন্তত তিনশো ছাপান্ন জন মানুষ ছাপান্ন হাজারবার বলেছেন। আমারও যে plain living কে সরিয়ে দিতে মন চায়নি তা নয়, তবে ও-ই আয়তকার কালো ব্যাগটির শীর্ণ চেহারার দিকে তাকিয়ে সভয়ে সে চিন্তা ত্যাগ করতে হয়েছে। শেষে অনেক ভেবে, নিজের অর্থনৈতিক বুদ্ধির ওপর আস্থা রেখে ঠিক করলাম, একটা পুরনো সাইকেল কিনব। গোপন কথা নিজের মনেই রাখতে হয়, নইলে সাফল্যের শতকরা হার নেমে যায়। তাই কাউকেই কিছু না জানিয়ে, এক সন্ধ্যায় নিজের অক্ষমতার লজ্জা অন্ধকারে ঢেকে, বাড়ি ঢুকি একটি হাতবদলী পুরনো সাইকেল নিয়ে। দীন হীনের লজ্জা নিয়ে সে যখন আমার সাথে তার নূতন বাড়িতে প্রবেশ করল, তখন যে অভ্যর্থনা ভেসে এলো তাতে, তার চেয়েও তার নূতন মালিক আরও বেশি নুয়ে পড়ল।

 

কিন্তু, ও-ই যে বললাম – আনন্দ কখন কোথা হতে কিরূপ নিয়ে আসে তা আমরা জানি না। লজ্জার সে অন্ধকার সুতীব্র স্বরে বিদীর্ণ করে  সহসা মঞ্চে আবির্ভূত হল আমার চার বছর বয়সী পুত্র। তার হাততালিতে উড়ল শতেক পায়রা।

 

– বাবা, তুমি সাইকেল নিয়ে এসেছো? এতো বড় সাইকেল!  ও, সামনে একটা ছোট বসার জায়গা!

বাবা, এটা আমি বসব বলে তুমি লাগিয়েছো?

ঠামা, দেখো,  বাবা কি সুন্দর সাইকেল নিয়ে এসেছে।

বাবা, কাল সকালেই তুমি – আমি দুজনে বেড়াতে যাব। আমি সামনে বসব, তুমি চালাবে। কি মজা হবে। খুব আনন্দ হবে…..

 

তার উচ্ছ্বসিত কথার উৎস্রোতে ভেসে যায় পিতার সকল গ্লানি। পরিবারের লোকজনদের উপহাস, বিদ্রূপ  কিছুই তখন কানে আসছে না। গিরিগহ্বরের গোপন প্রান্ত থেকে ধেয়ে এসেছে আনন্দের  বান। ভেসে যাচ্ছে সকল হীনমন্যতার উপল খন্ড। নির্মল, শীতল ধারার মাঝে দাঁড়িয়ে কোনোরকমে জড়িয়ে ধরি চার বছরের নিষ্পাপ শিশুটিকে। বুঝতে পারিনা, পাহাড়ের বুকে এমন নোনতা জলের বান কোথা হতে এসে আমার দু’গাল  বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে।

Announcements

  • আপনাদের আশীর্বাদে আমাদের এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ অষ্টম বর্ষ অতিক্রম করলো। আমরা আমাদের এই site টি নতুন ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করলাম। আপনাদের মতামত জানান আমাদের email এ (info@amarbanglakobita.com)। বিশদ জানতে contact us menu দেখুন। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
  • আনন্দ সংবাদ! আমাদের এই site এ এবার থেকে গল্প, অনু গল্প, প্রবন্ধ ও উপন্যাস প্রকাশিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আপনাদের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
  • Hello everyone, We have started our english poetry and story section with some content from our beloved kids. Please keep your blessings on them.

Recent Comments

Editorial Choice